ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১, ০১ মার্চ ২০২৫, ০০ রমজান ১৪৪৬

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

 ‘বিতর্ক সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়’

নিউজ ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২২৫১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
 ‘বিতর্ক সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়’

চট্টগ্রাম: দৃষ্টি চট্টগ্রামের স্কুল অব ডিবেটের ৩১তম ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠান স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।  

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দৈনিক আজাদীর চিফ রিপোর্টার হাসান আকবর শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ এবং বেস্ট অ্যাওয়ার্ড ট্রফি বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দৃষ্টির সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দৃষ্টি চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি, বিতার্কিক ও তরুণ উদ্যোক্তা সাবের শাহ ও সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বিতার্কিক সাইফুদ্দিন মুন্না, দৃষ্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী মুন্না মজুমদার, দৃষ্টির বিতর্ক সম্পাদক সামি, ইতু দত্ত ও ডা. ইয়াসিন সাকিব। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দৃষ্টির চট্টগ্রামের সভাপতি সাইফ চৌধুরী।
 

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হাসান আকবর বলেন, দৃষ্টির স্কুল অব ডিবেট এ অংশগ্রহণকারীরা যুক্তির শক্তি, ভাষার শৈলী ও তথ্যের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষ বিতার্কিক হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখবেন। বিতর্ক শুধু যুক্তি-তর্কের খেলা নয়; এটি আমাদের চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটায়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়।

দৃষ্টির সভাপতি সাইফ চৌধুরী বলেন যুক্তি, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনার দক্ষতা বিকাশের জন্য বিতর্ক একটি অপরিহার্য মাধ্যম। বর্তমান সমাজে তথ্যের প্রাচুর্যের মধ্যে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা, যা বিতর্কের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।

দৃষ্টির সহ-সভাপতি শহীদুল্ ইসলাম বলেন, আপনারা সত্যের সন্ধান করবেন, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবেন, আর যুক্তির আলোয় পথ চলতে বিতর্ক অন্যতম মাধ্যম।

দৃষ্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মুন্না বলেন, আমাদের এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য ছিল বিতর্কের মাধ্যমে যুক্তিবাদী, বিশ্লেষণধর্মী এবং মুক্তচিন্তার মানুষ তৈরি করা। দৃষ্টি স্কুল অফ ৩১ তম ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থী সফলতার সঙ্গে তাদের বিতর্ক কার্যক্রম সমাপ্ত করেন। বাংলা ভার্সনে অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স অর্জন করে জিহান মাহজাবিন, হুমাইরা ইয়াসমিন, মোবাশ্বিরা আদিবা ও ইংরেজি ভার্সনে অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স পান তাসনিয়া আহমেদ আতিফাহ।

বাংলা ভার্সনে অ্যাওয়ার্ড অব সাকসেস অর্জন করেন ফারিয়া আনোয়ারা অধরা, ফারিহা সুলতানা স্মৃতি, ওয়াকিয়া তাবাসসুম আহমেদ ও জেবা তাহসিন। ইংরেজি ভার্সনে অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স অর্জন করেন প্রজ্ঞা দেবনাথ, তাপসিয়া আনোয়ার ও মুফতাসির বিন সালাম। এডভান্স ব্যাচে অ্যাওয়ার্ড অব সাকসেস পান নাজিফা তাজরিয়ান ও তাজরিয়ান মাহমুদ।

বাংলাদেশ সময়: ১০৪৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫
পিডি/টিসি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।