গাইবান্ধা থেকে: গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ফারুক আহমেদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মতিন মোল্লা।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তারা এ অভিযোগ আনেন।

ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ফারুক আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ১, ৫, ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট কারচুপি চলছে। আমাদের এজেন্টদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কারণ তারা ভোট কারচুপিতে ব্যস্ত। আমাদের এজেন্টদের ওপর নির্যাতনও করা হয়েছে।
ফারুক আহমেদ ও মতিন মোল্লা বলেন, ‘প্রিজাইডিং অফিসাররাই ভোট কারচুপিতে ব্যস্ত। তারা নিজেদের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করছেন না। বরং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর ব্যালট পেপারে সিল মারছেন। ’
এদিকে, তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে সকাল ৮টা থেকে গাইবান্ধার তিন পৌরসভার ৫২ কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার জুবলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার আসাদুজ্জামান চৌধুরী বাংলানিউজকে জানান, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনানুযায়ী সকাল ৮টা থেকেই ভোটগ্রহণ শুরুহয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান জানান, ভোটাররা যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য পুলিশের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে থাকছে অতিরিক্ত নজরদারি। সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
বাংলাদেশ সময়: ০৯৫৭ ঘন্টা, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৫
এনএ/ইউএম/এইচএ/